শিরোনামঃ
তালায় যুবলীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর ৭৪তম জন্মদিন পালন শেখ ইমাম উদ্দীন সংসদের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা করোনাকে উপেক্ষা করে ১০ লক্ষ পথশিশু যখন রাস্তায় ইউ পি নির্বাচন : জনপ্রিয়তায় এগিয়ে এস.এম লিয়াকত হোসেন তালা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের মায়ের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন তালায় ভাইস চেয়ারম্যান সরদার মশিয়ারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে সমাবেশ তালার কলাগাছির জনপদের মানুষ রয়েছে চরম অবহেলা আর বঞ্চনার মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষগণ ষড়যন্ত্রমুলকভাবে সরদার মশিয়ার রহমানকে আসামী করা হয়েছে তালায় জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একজনকে কুপিয়ে জখম তালায় টিআরএম বাঁধ সংস্কারের দাবীতে মানববন্ধন

কক্সবাজার থেকে সাতক্ষীরা মেগা প্রকল্প

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২০, ১৬:০০
  • ১৩৩

দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বেড়িবাঁধ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এ কারনে ঝুঁকিতে আছে উপকূলীয় ২৫ জেলার প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ। সেই ঝুঁকি মোকাবেলায় নতুন মেগা প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। বাঁধ টেকসই করতে নকশায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আর বাঁধ নির্মাণের পর রক্ষণাবেক্ষণের জন্যও নেওয়া হবে নতুন পরিকল্পনা। এজন্য কক্সবাজার থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত সুপার ড্রাইভওয়ে নির্মাণ করা হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী দেশে প্রায় ১৭ হাজার কিলোমিটার বাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলের ৫ হাজার ৭৫৭ কিঃ বাঁধের পুরোটাই ঝুঁকিপূর্ন। ২০০৯ সালে ঘূর্নিঝড় আইলার পর গত ডিসেম্বরে উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্নিঝড় বুলবুল। এরপর ২০ মে আঘাত হানে আস্ফান। এসব দুর্যোগ খুলনার কয়রা-পাইকগাছা ও দাকোপ সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি এবং বাগেরহাটের মোংলাসহ অন্যান্য উপজেলা লণ্ডভণ্ড করে দেয়। প্রায় ১৫০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় বিস্তীর্ন এলাকা। উপকূলের মানুষ শুরু থেকেই বলে আসছে তাদের ত্রানের প্রয়োজন নেই, দরকার টেকসই বাঁধ।
মেগা প্রকল্প সম্পর্কে পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে উপকূলীয় এলাকায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মানে আট হাজার কোটি টাকার চারটি প্রকল্প প্রনয়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে খুলনার ১৪ নম্বর পোল্ডারে ৯৫৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, ৩১ নম্বর পোল্ডারে এক হাজার ২০১ কোটি ১২ লাখ টাকা, সাতক্ষীরার ৫ নম্বর পোল্ডারে তিন হাজার ৬৭৪ কোটি তিন লাখ এবং ১৫ নম্বর পোল্ডারে ৯৯৭ কোটি ৭৮ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে এসব প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। শেষ হবে দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে।
উপমন্ত্রী জানান, ওই চারটি প্রকল্পের বাইরে বেড়িবাঁধ নির্মানে আরো কয়েকটি প্রকল্প প্রনয়নের কাজ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া বাঁধ সুরক্ষায় কক্সবাজার থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত সুপার ড্রাইভওয়ে নির্মানের পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু বেড়িবাঁধ নয়, পুরো উপকূলের উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে হাওর উন্নয়ন বোর্ডের মতো উপকূলীয় উন্নয়ন বোর্ড গঠনের বিষয়টি বিবেচনাধীন।
সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের নির্বাহী সদস্য পলাশ আহসান বলেন, বাঁধ রক্ষনাবেক্ষনের জন্য জরুরি তহবিল গঠন এবং বাঁধ ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সরকারকে সম্পৃক্ত করতে হবে। ওয়াপদা বাঁধের ১০০ মিটারের মধ্যে চিংড়ি বা কাঁকড়ার ঘের তৈরিতে সরকারের দেওয়া নিষেধাজ্ঞ দ্রু কার্যকর করতে হবে। নিয়মিত ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে উপকূলের নদ-নদীর পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে হবে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন

সংশ্লিষ্ঠ আরও খবর