শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে তালা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ২লাখ টাকার চেক প্রদান নলতায় সাবেক সেনাসদস্য নুরুল ইসলাম কর্র্তৃক জমি দখল হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন দক্ষতা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থার সৃষ্টি বিষয়ক কর্মশালা মিসেস ইলা হকের মৃত্যুতে স্বপ্নসিঁড়ি’র শোক প্রকাশ প্রবেশ নিষিদ্ধকালে অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে ৬ জেলে আটক তালায় অসহায় দিন মজুরের বাড়ীঘর ভাংচুরের অভিযোগ তালায় পানি কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত তালায় গলায় রশি দিয়ে এক বৃদ্ধ’র আত্নহত্যা সম্মেলনের মাধ্যমে সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের কমিটি গঠনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন বাতিল হচ্ছে পিইসি-জেএসসি পরীক্ষা

তালার হালিমা বেগম গ্রাম আদালতের মাধ্যমেই সুদিন ফিরে পেয়েছে

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২০, ১১:৫০
  • ৭৯

সাঈদ সম্রাট নিজিস্ব প্রতিনিধি:
গ্রাম আদালত সম্পত্তি সংক্রান্ত,কাউকে উত্যক্ত করা,শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ,ক্ষতিপূরণ আদায়সহ নানা ধরণের বিবাদের সমাধান দিয়ে আসছে। গ্রামীণ জনপদে ন্যায় বিচার আদায়ে নামমাত্র খরচে ফৌজদারি ও দেওয়ানী মামলার সমাধান মিলছে এখানে। ফলে থানা-পুলিশ বা আদালতে বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা থেকে রেহাই মিলছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর।
এমনি ভাবে গ্রাম আদালতের মাধ্যমেই নিজের জীবনের গতিপথ ফিরিয়ে এনেছে সাতক্ষীরার তালার উপজেলার হালিমা বেগমের । সে উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নের ফলেয়া গ্রামের আব্দুল হাকিম মোড়লের স্ত্রী ।
হালিমা বেগম এখান থেকে ৭ বছর আগে একই গ্রামের জৈনিক ব্যক্তির কাছে পঁচিশ হাজার টাকা ধার দিয়েছিল। তবে এই ধার দেওয়ায় যেন তার বড় অন্যায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কারন তার ধার দেওয়া টাকাটা অবশেষে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে ফেরৎ পেতে হয়েছে।
হালমা বেগম তার ধার দেওয়া টাকা ফেরৎ পাওয়ার জন্য তালার মাগুরা ইউনিয়ন গ্রাম আদালতে মামলা করেন। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের ২৩শে নভেম্বর মাগুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গনেশ দেবনাথ এবং সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের মেম্বরদের নিয়ে গ্রাম আদালত বসিয়ে হালিমার টাকা তার কাছে হস্তান্তর করেন।
টাকা ফেরৎ পেয়ে হালিমা বেগম তার স্বামীর জন্য একটি ইজ্ঞিন ভ্যান ক্রয় করে দেন। সেখান থেকেই তার জীবনের গতিপথ ভিন্ন ধারায় প্রবাহিত হয়। এক ছেলে এবং স্বামীকে নিয়ে স্বচ্ছল একটি পরিবার তার।
হালিমা বেগম বলেন,আমি টাকা ফেরৎ পেয়ে এখন খুবই খুশি আজ আমার একটা ভালো অবস্থান তৈরী হয়েছে। আমি এখন খুব ভালো ভাবে পরিবার পরিজন নিয়ে দিনতিপাত করছি।
এবিষয়ে মাগুরা গ্রাম আদালতের সহকারী ডলি আক্তার জানান, প্রায় ৫ মাস আগে আমাদের গ্রাম আদালতের মাধ্যমে তার টাকাটা ফেরৎ দেওয়া হয়। হালিমা বেগম ছাড়াও আরো অনেক অসহায়,দরিদ্র,ভুক্তভোগী পরিবারকে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে আমরা সহযোগীতা দিয়ে আসছি।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন

সংশ্লিষ্ঠ আরও খবর